Showing posts with label Health/Deho (স্বাস্থ্য). Show all posts
Showing posts with label Health/Deho (স্বাস্থ্য). Show all posts

Thursday, January 14, 2016

গর্ভবতী অবস্থায় মায়েদের যে ব্যাপক শারিরীক পরিবর্তন আসে, তা তো সবারই জানা

গর্ভবতী অবস্থায় মায়েদের যে ব্যাপক শারিরীক পরিবর্তন আসে, তা তো সবারই জানা। কিন্তু এর পাশাপাশি তার মনোজগতেও ঘটে বিপুল পরিবর্তন। শারিরীক যত্নের পাশাপাশি এই সময়ে তার মানসিক যত্নেরও প্রয়োজন। এই ব্যাপারে সবচেয়ে বেশী ভূমিকা রাখতে হবে স্বামী, শ্বশুর বাড়ির লোকজন ও সহকর্মীদের। আসুন জেনে নেই, এই সময় আমরা কিভাবে তাদের সাহায্য করতে পারি।

প্রথম তিনমাসঃ এই সময়টাতেই গর্ভপাত ঘটার সম্ভাবনা বেশী থাকে। নারী এই সময়টাতে প্রাকৃতিক ভাবেই একটু প্রটেক্টিভ বা রক্ষাকারী আচরণ করতে থাকে। তার চলাফেরার মাঝে অবচেতন মনেই একধরণের সতর্ক ভাব চলে আসে। যে কোন ভারী কাজকর্ম, সিড়ি ভাঙ্গা এই সব সে এড়িয়ে যেতে চায়। তাছাড়া শারিরীক বিভিন্ন অসুবিধা যেমন মাথা ঘোরা,বমি এইসব এই সময়েই বেশী হয়।

করনীয়ঃ এই সময় টাতে শারিরীক ভাবে গর্ভবতী হওয়ার লক্ষন ফুটে না উঠাতে শশুর বাড়ির লোকজন বা স্বামীরা ভাবেন যে মেয়েটি সুস্থ্যই আছে। তখন তারা আশা করে যে, মেয়েটি এই সময়টাতে স্বাভাবিক ভাবে ঘড়ের কাজ কর্ম করবে। কিন্তু সত্যি কথা হলো, পরের মাসগুলোতেই সে বরং স্বাভাবিক ভাবে কাজ করতে পারবে, কিন্তু গর্ভপাতের ভয়ে অবচেতন মনের সতর্ক আচরণ তাকে এই সময় কাজ করতে বাধা দেয়। এরপর যদি বাড়ির লোকেরা বুঝতে না চেয়ে তার কাছ থেকে আগের মতই ঘরকন্নার কাজ আশা করেন, তাহলে সে স্বীকার হয় ডিপ্রেশনের। তাই এই সময়টা তাকে বিশ্রাম থাকতে দিন, পাশাপাশি সে সতর্ক ভাবে চলাফেরা করলে/করতে চাইলে তার প্রতি মনোযোগ প্রকাশ করুন। এতে তার আপনার প্রতি আস্থা ও নিরাপত্তার মনোভাব গড়ে উঠবে।

Monday, October 12, 2015

ব্রণ জানান দেবে অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অসুখ

আপনার মুখমণ্ডলের বিভিন্ন অংশে কি দীর্ঘদিন ধরে ব্রণ বা দাগ রয়েছে? তাহলে কিছু বিষয় ‍জেনে রাখা ভালো।

বিশেষজ্ঞদের মতে আমাদের মুখের ত্বক অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের প্রতিচ্ছবি। অর্থাৎ, মুখের এক একটি অংশের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অঙ্গের সংযোগ রয়েছে। ফলে এসব স্থানে দাগ বা ব্রণ হলে খেয়াল করুন আপনার অজান্তেই আপনার অভন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কিনা।

লন্ডনভিত্তিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ জন টাগরিস জানান, মুখে বিভিন্ন অংশের দাগ মূলত দুশ্চিন্তা, খাদ্যাভাস, পরিপাক, শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা, পানিস্বল্পতা হরমোনজনিত সমস্যা প্রভৃতির কারণে হয়ে থাকে। 

জন দীর্ঘদিন চীনা চিকিৎসাবিধি অনুসরণ করে আসছেন। তাদের চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, মুখের বিভিন্ন অংশ যেমন নাক, কপাল, চোয়াল, গাল প্রভৃতির সঙ্গে হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনি, লিভার, ব্লাডারের সংযোগ রয়েছে। এটিকে বলা হয় ফেস ম্যাপ।

এক কথায়, মুখমণ্ডলের বিভিন্ন অংশের ত্বকের সুস্থতা জানান দেবে আপনার অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঠিকভাবে কাজ করছে বা সেগুলো সুস্থ রয়েছে কিনা। আসুন জেনে নিই

Thursday, May 28, 2015

জেনে নিন কিভাবে হলুদ ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে অসাধারণ কাজ করে?

হলুদ খুবই কমন একটি মসলা যা আমাদের বাঙালি পরিবারের রান্নার ঘরে সবসময় থাকে। এই মসলা খাবারে রং এবং সাদের পাশাপাশি এর রয়েছে নানাবিধ উপকারী গুণ। যদি আপনি ডায়াবেটিসের রোগী হয়ে থাকেন তাহলে এই মসলা আপনার জন্য অত্যাধিক উপকারী। হলুদে বিদ্যমান শক্তিশালী এন্টিসেপটিক উপাদান এবং কার্যকরী এন্টিওক্সিডেন্ট এজেন্ট যা মানব দেহের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন। এছাড়াও হলুদ ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রনে আনতেও অসাধারণ কাজ করে। চলুন তাহলে দেখি এই প্রাকৃতিক উপাদান কিভাবে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রন করে।

Monday, March 30, 2015

মৌসুমি ফল তরমুজ : একটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ

একটি চমত্কার স্বাদের মৌসুমি ফলের নাম তরমুজ। অনেকে আবার তরবুজও বলে থাকেন। পানিতে ভরা থাকে বলেই হয়তো এই ফলটির ইংরেজি নাম Watermelon। তরমুজ বা তরবুজ কোন দেশের আদি ফল বা এর আদি উত্স নিয়ে অনেক গবেষণা আছে। কোনো কোনো গবেষণায় দেখা গেছে, তরমুজ দক্ষিণ আফ্রিকার ফল। তবে বর্তমানে তরমুজ বাংলাদেশের নিজস্ব মৌসুমি ফলে পরিণত হয়ে গেছে। 

তরমুজের ভালো ফলন হয় বা তরমুজ বেশি জন্মে চরাঞ্চল এবং নদী সংলগ্ন চরের বেলে মাটি বা পলি মাটিতে। তরমুজ ভালো উত্পাদনের জন্য শুকনো আবহাওয়া এবং প্রচুর রোদ প্রয়োজন হয়। 

চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশের সর্বত্রই তরমুজ পাওয়া যায়। তবে তরমুজের বেশি চাষ হয় চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা ও যশোর জেলায়। এক সময় চট্টগ্রামের পতেঙ্গা তরমুজের জন্য বিখ্যাত ছিল। দেশজুড়ে পতেঙ্গার তরমুজের আলাদা একটা খ্যাতি ছিল।

Saturday, March 28, 2015

Diabetes: Myth and facts

Diabetes is globally an increasing threat to public health. The prevalence of diabetes is higher in the developing countries than that of the developed countries.

In a developing country like Bangladesh, the prevalence of diabetes is 5.6% and among them, the type 2 Diabetes is 95%, where the life style has changed. Readily available high-energy foods and physical inactivity lead to obesity and to diabetes in these susceptible populations. Main cause is lack of knowledge regarding diabetes and according to knowledge lacks of required attitude for practice those. Following myth and facts might be helpful to get a proper idea regarding diabetes and its good control.

Wednesday, March 25, 2015

মশা তাড়ানোর আট উপায় জেনে নিন


নিমের তেল
নিমের তেল লাগালে শরীর থেকে একটা গন্ধ বের হয়, যা মশাদের দূরে রাখে। নিমের তেল আর নারিকেল তেল সমান পরিমাণে মিশিয়ে গায়ে মেখে নিন (শরীরের খোলা অংশে)। অন্তত আট ঘণ্টা মশার কামড় থেকে রক্ষা পাবেন।

ইউক্যালিপটাস আর লেবুতেল
ইউক্যালিপটাস আর লেবুতেলে এক ধরনের উপাদান থাকে, যার নাম ‘পরহবড়ষব’। এর ফলে যেকোনো পোকামাকড় আপনার থেকে দূরে থাকবে। সব থেকে বড় কথা, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে আপনি মশা তাড়াতে পারবেন। সমপরিমাণে ইউক্যালিপটাস আর লেবুতেল নিন। ভালো করে মিশিয়ে গায়ে লাগান। দেখবেন মশা কামড়াচ্ছে না।

Tuesday, March 24, 2015

কনস্টিপেশন (কোষ্ঠ কাঠিন্য) হলে কি করবেন? কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য দায়ী যে ৬ টি খাবার

কোষ্ঠ কাঠিন্য

অধ্যাপক নইম কাদের

কোষ্ঠকাঠিন্য হচ্ছে অনিয়মিত ও কষ্টকর মলত্যাগ। মল শক্ত হওয়া, পরিষ্কারভাবে মলত্যাগ না হওয়া। কোষ্ঠকাঠিন্য একটি জটিল সমস্যা। পরিপাক ও যকৃতসংক্রান্ত বহু রোগের কারণ কোষ্ঠকাঠিন্য। একজন সুস্ত মানুষ খাদ্য হিসেবে যা গ্রহণ করে তিন ঘন্টার মধ্যে তা হজম হয়ে যায় এবং ৬ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এর অভুক্ত অংশ শরীর থেকে বেরিয়ে আসে। এটাই নিয়ম। শরীর থেকে বের হয়ে আসা এই অভুক্ত অংশ হল মল বা পায়খানা। একজন সুস্ত মানুষের স্বাভাবিক নিয়মে ২৪ঘন্টার মধ্যে ১/২বার পায়খানা হয়। অধিকাংশ মানুষ দিনে একবার মলত্যাগ করে। মলত্যাগ দিনের যে কোন সময় হতে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাস, রাত্রে বিশ্রাম ও ঘুম ইত্যাদি কারণে সকালে ঘুম ভাংগার পর মল ত্যাগ হওয়াটাই স্বাভাবিক নিয়ম। অভ্যাসবশত বা পেশাজনিত কারণে মলত্যাগের সময়ে ভিন্নতা ঘটতে পারে। যেমন কারো সকালে ঘুম ভাংগার সাথে সাথে পায়খানার বেগ হয়, আবার কারো কারো সকালে কিছু খাওয়ার পরপরই পায়খানার বেগ আসে। এমন অনেকই আছে যাদের স্বাভাবিক নিয়মে পায়খানা হয় না। পায়খান ২/১দিন পরপর হয়, অনেকের ৩/৪দিন পর এমনকি ১সপ্তাহ পরও হয়। মল শক্ত হওয়ায় মলত্যাগে খুব কষ্ট হয়। এমনকি মলদ্বার ছিঁড়ে যায়, মলদ্বার দিয়ে রক্ত ঝরে।

Saturday, March 14, 2015

সন্তানের ওপর মা-বাবার রক্তের গ্রুপের প্রভাব

মায়ের রক্তের গ্রুপ এবং তাঁর সন্তানের রক্তের গ্রুপ দুটোর সমীকরণের ফলাফল গর্ভস্থ ভ্রূণ বা নবজাতকের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। ধরা যাক, গর্ভধারিণী মায়ের রক্তের গ্রুপ আরএইচ নেগেটিভ এবং তাঁর স্বামীর রক্তের গ্রুপ আরএইচ পজেটিভ। এই যোগসূত্রে আরএইচ পজেটিভ শিশুর জন্ম হতে পারে। এই মা যদি আগে থেকে আরএইচ রক্তকোষ দ্বারা সংবেদনশীল থাকেন, তাহলে গর্ভস্থ আরএইচ পজেটিভ বাচ্চা আরএইচ হিমোলাইটিক অসুখে কোনো না কোনো মাত্রায় আক্রান্ত হবে। আর মা যদি ডেলিভারির পরে প্রতিক্রিয়ার আওতায় আসেন, সে ক্ষেত্রে পরবর্তী সব আরএইচ পজেটিভ গর্ভস্থ শিশু ঝুঁকিতে থাকবে।
আরএইচ(রিসাস) ব্লাড গ্রুপ

ও-এ-বি ব্লাড সিস্টেমের সাথে কারো শরীরে রক্ত সঞ্চালন কিংবা নবজাতক শিশুতে মারাত্নক হেমোলাইটিক ডিজিস তৈরিতে আরএইচ ব্লাড গ্রুপ খুব গুরুত্বপূর্ণ।


‘এবিও’ রক্তের গ্রুপ সিস্টেম:
একদা যুদ্ধক্ষেত্রের অনুমান-পর্যবেক্ষণ—সিদ্ধ তথ্য গবেষণায় সিদ্ধি লাভ করে জানা গেছে, মূল রক্তের গ্রুপ হলো চারটি: ‘এ’, ‘বি’, ‘এবি’ এবং ‘ও’।

- ‘ও’ রক্তের গ্রুপ যেকোনো রক্তের শ্রেণীতে মেশালে তা জমাট বাঁধে না। তাই একে ‘ইউনিভার্সেল ডোনার’ বলা হয়।

- ‘এ’ গ্রুপের রক্ত ‘এ’ অথবা ‘এবি’র সঙ্গে মিশতে পারে যদি তা ‘বি’ বা ‘ও’-এর সঙ্গে মেশে, তবে জমাট বাঁধবে।

- একইভাবে ‘বি’ রক্তকোষ শ্রেণী নিরাপদে ‘বি’ বা ‘এবি’র সঙ্গে মেশানো যায়, কখনো ‘ও’ বা ‘এ’-এর সঙ্গে নয়।

- এবি রক্তের শ্রেণী শুধু এবির সঙ্গে মেশে আর কারও সঙ্গে নয়।
তবে প্রধান এই চার রক্তের গ্রুপ অ্যান্টিজেনের বাইরেও ক্যাপিটাল সি—স্মল সি, ডি, বড় ই-ছোট ই, বড় কে = ছোট কে, এম, এন এবং আরও অনেক জট পাকানো রক্তশ্রেণীর অস্তিত্ব রয়েছে।

নারীদের মোবাইল অ্যাপ “মায়া আপা” (স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্যসহ নারীদের বিভিন্ন সামাজিক ও আইনি পরামর্শ)

স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্যসহ নারীদের বিভিন্ন সামাজিক ও আইনি পরামর্শ দিতে চালু হলো ‘মায়া আপা’ নামের এক মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপ)।  ব্র্যাকের অংশীদারত্ব ও সহযোগিতায় মায়া ডটকম ডট বিডি www.maya.com.bd নামে একটি ওয়েবসাইটও  তৈরি করেছে একদল নারী উদ্যোক্তা। কম্পিউটার প্রকৌশলী, চিকিৎসক ও আইনজীবী মিলে নারীদের জন্য বানিয়েছেন এই অ্যাপটি।

Sunday, March 8, 2015

২টি জাদুকরী পানীয় নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে

নাক ডাকার সমস্যা আপাত দৃষ্টিতে খুব বেশি ক্ষতিকর মনে না হলেও এটি আসলে বেশ খারাপ একটি সমস্যা। এটিকে হৃদরোগের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। এছাড়া এই নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়।

তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা নয় মোটেই। সমস্যাটি কীভাবে দূর করা যায় সে বিষয়ে ভাবতে হবে। ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক।

গাজর-আপেলের জুস

শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।

কোক খাওয়ার পর কি হয় মানুষের শরীরে?

কোক আমরা কম বেশি সবাই খাই। তবে এটি আমাদের শরীরে কিভাবে প্রভাব ফেলে তা হয়তো আমরা অনেকেই জানি না। চলুন জেনে নেই এক গ্লাস কোক আমাদের শরীরে কিভাবে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

প্রথম ১০ মিনিট পর- এক গ্লাস কোকে প্রায় ১০ চামচ চিনি থাকে যেটা অর্গানিজমে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তবে শুধু মাত্র ফসফরিক এসিডের কারণে বমির উদ্রেক হয় না।


২০ মিনিট পর- রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বেড়ে যায়। লিভারে জমাকৃত সব সুগার ফ্যাটে পরিণত হয়।

খাবার কম্বিনেশন চার্ট

আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় যেসব খাবার আমরা প্রতিনিয়ত খেয়ে থাকি তার অধিকাংশই আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কিন্তু সঠিক পরিমাপে পরিবেশন আর খাবারগুলোর কম্বিনেশনে ভুল করায় তার খাদ্যগুণ নষ্ট হয়ে যায়। তখন খাবারগুলো উপকারের তুলনায় অপকারই বেশি করে। তাই জেনে নিন খাবারের কম্বিনেশন টার্চ।

সাপ্তাহিক মেন্যু প্ল্যান

ভোজন রসিক বাঙালি চায় সবসময় ভিন্ন স্বাদের খাবার খেতে। কিন্তু আমাদের শরীরটাকে ঠিক রাখতে প্রয়োজন পরিমিত এবং শরীরের চাহিদাসম্পন্ন খাবার। এ জন্য রসনা বিলাসের মনোভাব পরিহার করে আমাদের ‘বাঁচার জন্য খাওয়া’র অভ্যাস তৈরি করতে হবে। এতে আপনি, আমি সকলেই সুস্থ ও সুন্দর থাকতে পারবো। কড়চা’র এবারের আয়োজনে পাঠকদের জন্য উপস্থাপন করা হলো একটি পরিবারের সাপ্তাহিক মেন্যু প্ল্যান।
শনিবার
সকালে: দুধ, ছাতু, কলা, টোস্ট, চা।
দুপুরে: খিচুরি, আচার, শসা।

বিকালে: বাচ্চাদের জন্য টিকিয়া আর চিপস।
রাতে: পাস্তা কিংবা নুডুলস/এক কাপ ভাত, চিকেন, স্টিমড ভেজিটেবল, পুডিং।
সপ্তাহের এই দিনটিতে আপনার খাবার তালিকায় যত্নশীল হন কেননা ছুটির দিন শেষে আপনার মুটিয়ে যাবার প্রবণতা আপনার ভেতর অধিক খাবার গ্রহণ করার মানিসকতা তৈরি করতে পারে।

পুরো পুষ্টিই চাই

রসনাবিলাসে আমরা তুলনাহীন। তবে শুধু রসনাবিলাসী হলে চলবে না, রান্নার সময় খাবারের পুষ্টি যাতে নষ্ট না হয়ে যায়, সেদিকেও লক্ষ রাখতে হবে। রান্নার আগে শাকসবজি ধোয়া থেকে শুরু করে রান্নার পর পর্যন্ত যেন খাবারের পুষ্টি ঠিক থাকে, সেটা লক্ষ রাখা চাই। খাবারের পুষ্টি ঠিক রাখা ও গুণগত মান অটুট রাখার উপায় সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদ ও রন্ধনশিল্পী সিদ্দিকা কবীর।
রান্নার আগে জেনে নিন
 সাধারণত শাকসবজি, তরিতরকারিতে দুই ধরনের ভিটামিন থাকে, পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন এবং চর্বিতে গলে যায় যে ভিটামিন।

বাজার করে এনে

প্রতি মাসে হয়তো একসঙ্গে পুরো মাসের বাজার করে থাকেন অনেকে। আবার প্রতি সপ্তাহে বাজার করতে পছন্দ করেন কেউ কেউ। কিন্তু বাজার যখনই করা হোক না কেন, সেটা তো ঠিকমতো ফ্রিজে তুলে রাখতে হবে। বাজার থেকে কাঁচা শাকসবজি, মাছ-মাংস এনে টাটকা রাখার উপায় সম্পর্কে জেনে নিন।
‘বাজার থেকে মাছ-মাংস এনে বেশিক্ষণ বাইরে রাখলে তাতে ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। ফলে দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এ জন্য বাজার থেকে আনার সঙ্গে সঙ্গে রান্না করার অংশটুকু রেখে প্রক্রিয়াজাত করে দ্রুত ঠান্ডা স্থানে রাখতে হবে। যেকোনো শাকসবজি বাজার থেকে এনে প্রক্রিয়াজাত করে রাখলে তাতে পুষ্টিগুণ অটুট থাকবে, আর টাটকাও থাকবে।’ বলছিলেন পুষ্টিবিদ সিদ্দিকা কবীর। তাঁর পরামর্শ—

ফরমালিন থেকে বাঁচার উপায়

ফর্মালিন (-CHO-)n হল ফর্মালডিহাইডের (CH2O) পলিমার। ফর্মালডিহাইড দেখতে সাদা পাউডারের মত। পানিতে সহজেই দ্রবনীয়। শতকরা ৩০-৪০ ভাগ ফর্মালিনের জলীয় দ্রবনকে ফর্মালিন হিসাবে ধরা হয়। ফর্মালিন সাধারনত টেক্সটাইল, প্লাষ্টিক, পেপার, রং, কনস্ট্রাকশন ও মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ফরমালিনে ফরমালডিহাইড ছাড়াও মিথানল থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লিভার বা যকৃতে মিথানল এনজাইমের উপস্থিতিতে প্রথমে ফরমালডিহাইড এবং পরে ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়। দুটোই শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

ডিমের জানা অজানা

১. পুষ্টিগুণের কথা বিবেচনায়, দেশি ডিমের চেয়ে ফার্মের ডিমে পুষ্টিগুণ বেশি থাকে। একটি ফার্মের ডিমে ক্যালরি আছে ৮০ এবং দেশি মুরগির ডিমে ক্যালরি আছে মাত্র ৫০।
২. ফার্মের ডিমে পাওয়া যায় ৮ গ্রাম প্রোটিন ও ৬ গ্রাম চর্বি রয়েছে। ডিমের কুসুমে রয়েছে ২৫০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল, যা সম্পৃক্ত চর্বি। এছাড়াও ভিটামিন ডি সহ প্রায় ১১ ধরনের ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে।
৩. ডিমের কুসুম খুব সহজে হজম হয়। তবে হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে হাঁসের ডিম বা মুরগীর ডিমের কুসুম বাদ দেওয়াই ভালো। তবে ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। ডিমের সাদা অংশটি হলো পেপটাইড, যেসব উপাদানে আমিষ তৈরি হয় তার অন্যতম এই পেপটাইড। গবেষণায় দেখা গেছে, নিম্নমাত্রায় ক্যাপ্টোপ্রিল ব্যবহারে রক্তচাপ যতটা কমে প্রায় সে পরিমাণে রক্তচাপ কমতে সহায়তা করে ডিমের এই সাদা অংশ।

আপনি কোন কোন গ্রুপের রক্ত নিতে পারবেন, আর কোন কোন গ্রুপকে দিতে পারবেন?

আপনার রক্তের গ্রুপ কি? আপনি কোন কোন গ্রুপের রক্ত নিতে পারবেন, আর কোন কোন গ্রুপকে দিতে পারবেন?

Blood Group Analysis

মানব দেহের আশ্চর্য তথ্য


√ একজন পুরুষ দৈনিক ৪০ টা চুল হারায় আর নারী হারায় ৭০ টা চুল।
√ মানুষ প্রতিদিন সকালে তুলনামূলক লম্বা হয়ে যান রাতের সময়ের চেয়ে।
√ হৃৎপিন্ড পুরো শরীরে সারাদিন গড়ে এক হাজার বার রক্ত সঞ্চালন করে থাকে।
√ চোখের পাপড়ি আয়ুকাল ১৫০ দিন।

রোজা রেখে কি মেডিকেল টেস্ট এবং ওষুধ গ্রহণ করা যায়

রোগী কোন অবস্থায় রোজা রাখতে পারবেন, কখন পারবেন না_ এ বিষয়ে ধর্মীয় দিকনির্দেশনা থাকলেও অসুস্থ অবস্থায় যারা রোজা রাখতে চান তাদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ওষুধ প্রয়োগ নিয়ে অনেকের মাঝেই নানারকম বিভ্রান্তি রয়েছে। অসুস্থ অবস্থায় অনেকেই রোজা রাখতে আগ্রহী থাকেন; কিন্তু ওষুধ গ্রহণ বিষয়ে সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে অনেকেই রোজা রাখতে গিয়ে সমস্যার মুখোমুখি হন। 


আবার এমন রোগীও আছেন যারা বলেন, যা হয় হবে তবুও রোজা ছাড়ব না। এসব বিভ্রান্তি দূর করার জন্য ১৯৯৭ সালের জুন মাসে মরক্কোয় অনুষ্ঠিত নবম ফিকাহ-চিকিৎসা সম্মেলন থেকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ সম্মেলনে জেদ্দা ইসলামিক ফিকাহ একাডেমী, আল আজহার ইউনিভার্সিটি, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা, আলেকজান্দ্রিয়া, মিসর এবং ইসলামিক এডুকেশনাল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড কালচারাল অর্গানাইজেশন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞ প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এ সম্মেলনে মূল আলোচনার বিষয় ছিল- রোজা অবস্থায় যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ওষুধ প্রয়োগে রোজা নষ্ট হবে না সে বিষয়ে একটা সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া। 

Contact Form

Name

Email *

Message *