Showing posts with label Islam. Show all posts
Showing posts with label Islam. Show all posts

Thursday, June 30, 2016

তাশাহহুদ (আত্তাহিয়্যাতু) এর ইতিহাস :

আমরা যারা নামাজ পড়ি, সকলেই জানি নামাজের দ্বিতীয় ও চতুর্থ রাক’য়াতের শেষে-
তাশাহহুদ পড়া ওয়াজিব। কিন্তু জানা আছেকি তাশাহহুদ এর ইতিহাস?
কি পড়ি আমরা তাশাহহুদ এর মধ্যে ? আসুননা, আমরা আজকে জানার চেষ্টা করি
তাশাহহুদ এর অর্থ আর ইতিহাস।

শুরুর কথা.............
হযরত খাদিজা (রাঃ) ইন্তেকাল করেছেন।
মক্কার মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় লাভ করলেও,,,
অধিকাংশই মুশরিক রয়ে গেছে। তাই রাসুল (সাঃ) এর মনে অনেক ব্যাথা।
দিনে দিনে রাসুলের (সাঃ) প্রতি কোরাইশদের অত্যাচারের মাত্রাও বেড়ে গেছে।

এমন অবস্থায় আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন রজব মাসের এক মহিমাম্বিত রজনীতে
এশার নামাজের পর তার প্রিয় বন্ধুকে হযরত জিব্রাইল (আঃ) এর মাধ্যমে তার সান্ধিধ্যে ডেকে নিলেন, যা ইতিহাসে মে’রাজ নামে পরিচিত।

রাসুল (সাঃ) বায়তুল্লাহ হয়ে বায়তুল মোকাদ্দাস, অতপর উর্দ্ধজগতের সফর শুরুকরলেন।

বোরাক নামক বেহেশতি বাহনে চড়ে প্রথম আসমান, দ্বিতীয় আসমান, তৃতীয় আসমান করে অতপর সিদরাতুল মুনতাহায় পৌছলেন। এ পর্যন্ত হযরত জিব্রাইল (আঃ) রাসুল (সাঃ) এর সাথী হলেন।

সিদরাতুল মুনতাহাতে গিয়ে হযরত জিব্রাইল (আঃ) রাসুল (সাঃ) এর কাছ থেকে বিদায় নিলেন।

আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন তার বন্ধুরজন্য বোরাকের থেকেও গতি সম্পন্ন বাহন ‘রফরফ’ পাঠিয়ে দিলেন। এ বাহনে চড়ে রাসুল(সাঃ) আল্লাহর নূরের সত্তর হাজার পর্দা অতিক্রম করে মহান প্রভুর দরবারেগিয়ে পৌছলেন। দুজন দুজনার খুব নিকটবর্তী হলেন।

আল্লাহ হলেন মেজবান আর আমার নবী (সাঃ) হলেন মেহমান। সুন্নত তরীকা হলো মেহমানকারো বাড়িতে গেলে মেজবানের জন্য কিছু তোহফা/উপহার নিয়ে যাওয়া। স্বয়ং আল্লাহতায়ালার সাথে সাক্ষাতে গেছেন তার প্রিয় রাসুল (সাঃ), তিনি কি নিয়ে যেতে পারেন?

আল্লাহতো দুনিয়াবী কোন কিছুর মুখাপেক্ষী নন। তাহলে?

আল্লাহর হাবীব জনাবে মোহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) যখন আল্লাহর খুবই নিকটবর্তী হলেন,
এমনকি তাদের মাঝে একটি রশি বা একটি ধনুকের সমান জায়গার ব্যাবধান ছিলো তখন-

শ্রেষ্ঠ তোহফা হিসেবে পড়লেন.
"আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াসসালাওয়াতু ওয়াত্তয়্যিবাত"

“সকল মর্যাদাব্যঞ্জক ও সম্মানজনক সম্বোধন আল্লাহর জন্য। সমস্ত শান্তি, কল্যাণ ও প্রাচুর্যের মালিক একমাত্র আল্লাহ। সব প্রকার পবিত্রতার মালিকও তিনি।”

এক কথায় রাসুল (সাঃ) আর্থিক, শারিরীক ও মৌখিক সব ধরনের ইবাদাত একমাত্র আল্লাহর জন্য তোহফা হিসেবে পেশ করলেন।

অতপর আল্লাহ তায়ালা রাসুল (সা.) কে তিনটি জিনিষ দিলেন এভাবে-

"আসসালামু আ’লাইকা আইয়্যুহান নাবিয়্যু ওয়ারাহমাতুল্লহিওয়াবারাকাতুহু"

হে নবী! আপনার প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, আল্লাহর অনুগ্রহ ও বরকত বর্ষিত হোক।

উম্মতের কান্ডারী নবী (সাঃ) এমন মিলন মুহুর্তেও তার উম্মতকে ভুলেন নাই।

আল্লাহর অনুগ্রহ তার উম্মতের জন্যও চেয়ে নিলেন এভাবে-

"আসসালামু আ’লাইনা ওআ’লা- ই’বাদিল্লাহিস সলিহীন"

আমাদের প্রতি এবং আল্লাহর সকল নেক বান্দাহদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক।
আল্লাহ এবং তার রাসুল (সাঃ) এর এমন মধুরআলোচনা শুনে আরশবাহী-
সকল ফেরেশাতাগণ সমস্বরে একত্রে বলে উঠলেন-

"আশহাদু আন লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াশহাদু আন্না মোহাম্মাদান আ’বদুহু ওয়ারাসুলুহু"

আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি মোহাম্মাদ (সাঃ) আল্লাহর বান্দাহ এবং রাসুল।

আল্লাহ পাক রাব্বুল আ’লামিন, রাসুল (সাঃ) এবং ফেরেশতাদের এমন সম্মিলিত
কথোপকথনই হয়ে গেলো তাশাহহুদ, যা মে’রাজের রজনীতে আল্লাহর পক্ষ থেকে তোহফা হিসেবে পাওয়া পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ সহ প্রত্যেক নামাজের দুই রাকাত বা চার রাকা’তের বৈঠকে পড়া ওয়াজিব।

Saturday, August 29, 2015

ইসলামে শুকরের মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ যে কারনে ....!

ডাঃ জাকির নায়েকঃ

এটা সর্বজন বিদিত যে, শুকুর মাংস ভক্ষণ ইসলামে নিষিদ্ধ। নিম্নে বর্ণিত বিষয়গুলো এই নিষিদ্ধতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরবে।

ক. কুরআনে শুকুর মাংস নিষিদ্ধতা

শুকুরের মাংস খাওয়া নিষেধঅন্তত চারটি স্থানে উল্লেখ করা হয়েছে ২:১৭৩, ৫:৩, ৬:১৪৫, এবং ১৬:১১৫।

“তিনি তোমাদের ওপর হারাম করেছেন, মৃত জীব, রক্ত, শূকরের মাংস এবং সেসব জীব-জন্তু যা আল্লাহ্ ব্যতীত অপর কারো নামে উৎসর্গ করা হয়। অবশ্য যে লোক অনন্যোপায় হয়ে পরে এবং না-ফরমানী ও সীমালঙ্ঘনকারী না হয়, তার জন্য কোন পাপ নেই। নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ মহান ক্ষমাশীল, অত্যন- দয়ালু”। (সূরা বাক্বারাহ, আয়াতঃ ১৭৩)

Wednesday, July 15, 2015

রাসুল (সা.) সদকাতুল ফিতর দিতেন কীভাবে আর আমরা দেই কীভাবে ?

সাদকাতুল ফিতর সম্পর্কে নবীজি (সা.) বলেছেন, তোমরা এ দিনটিতে তাদেরকে অন্যের কাছে চাওয়া থেকে বিরত রাখো। জাকাতের মতো এটিও দরিদ্র মানুষের ওপর মহান আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত আমলি সহযোগিতা।

ফিতরা কী?

ইসলামী শরিয়তের হুকুম মোতাবেক এটি একটি ওয়াজিব আমল। ঈদুল ফিতরের দিন সুবহে সাদিকের সময় জীবিকা নির্বাহের অত্যাবশকীয় সামগ্রী ছাড়া নিসাব পরিমাণ বা অন্য কোনো পরিমাণ সম্পদের মালিকদের পক্ষ থেকে গরিবদের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণের একটি অর্থ প্রদান করার বিশেষ আয়োজনকে সাদকাতুল ফিতর বলা হয়। ফিতরার পরিমাণ জনপ্রতি আধা সা অর্থাৎ এক সের চৌদ্দ ছটাক বা পৌনে দুই সের গম বা সমপরিমাণ গমের মূল্য ফিতরা হিসেবে প্রদান করতে হবে।

ফিতরার পরিমাণ আসলে কত?

আমাদের দেশে প্রতি বছর ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন ইসলামিক সেন্টার মাথাপিছু একটি পরিমাণ ঘোষণা প্রদান করে এবং সে ঘোষণা অনুযায়ী কোটিপতি ও মধ্যবিত্ত নির্বিশেষে সবাই ফিতরা প্রদান করে। আমাদের জেনে রাখা প্রয়োজন, নবীজি (সা.)-এর যুগে মোট চারটি পণ্য দ্বারা সাদকাতুল ফিতর আদায় করা হতো, যেমন খেজুর, কিশমিশ, জব ও পনির।

Sunday, June 14, 2015

কোরআন হাত থেকে পড়ে গেলে কিংবা পুরনো হলে যা করবেন

পবিত্র কোরআনে কারিম আল্লাহতায়ালার কালাম। অতএব যে আল্লাহ ও কিয়ামত দিবসের ওপর ইমান রাখে, তার ওপর কোরআনে কারিমের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ও অপমান থেকে তা রক্ষা করা অবশ্য কর্তব্য। কোনো কোরআনের কপি যদি, পুরনো হয়, ছিড়ে যায় ও তার পৃষ্ঠাগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়, তাহলে এমন জায়গায় রাখা যাবে না, যেখানে ওইসব পাতার অমর্যাদা হয়, ময়লা-আবর্জনায় পতিত হয়, মানুষ বা জীব-জন্তু দ্বারা পিষ্ট হয়।

প্রথমেই বলি হাত থেকে পড়ে গেলে যা করবেন-
আমাদের সমাজে প্রচলন রয়েছে যে, কারো হাত থেকে ভুলে বা অন্য কোনোভাবে কোরআনে কারিম পড়ে গেলে, কোরআনের ওজন পরিমাণ চাল দান করে দিতে হয়। আসলে এর কোনো শরয়ি ভিত্তি নেই। কারো হাত থেকে কোরআন পড়ে গেলে এ জন্য সে অনুতপ্ত হবে, ভবিষ্যতে যেন অার কোরআন না পড়ে সে জন্য সতর্ক থাকবে।

Tuesday, May 12, 2015

আমাদের সমাজে প্রচলিত কিছু কুসংস্কার, যা বর্জনীয়

বর্তমান এমন কিছু কুসংস্কার প্রবেশ করেছে, যেগুলো মানুষকে ধীরে ধীরে শিরক এবং কুফুরিতে লিপ্ত করাতে পারে। মানুষের ঈমান-আমল বিনষ্টকারী কুসংস্কার থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব।

প্রচলিত এসব কুসংস্কার থেকে মানুষকে সতর্ক করতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচলিত বিভিন্ন কুসংস্কারগুলো উল্লেখ করা হলো:

১. পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পূর্বে ডিম খাওয়া যাবে না। তাহলে পরীক্ষায় ডিম (গোল্লা) পাবে।

Wednesday, April 1, 2015

বিজ্ঞানের আলোকে সালাত

দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত বা নামাজ কায়েম করা সারা মুসলিম উম্মাহর ওপর ফরজ করেছেন মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন। ঈমানের পরেই সালাতের স্থান, যা ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবার ওপরই ফরজ। বলা হয়েছে ‘আস্সালাতু ইমাদ উদ্-দ্বীন’। সালাত হচ্ছে দ্বীনের বা ধর্মের খুঁটি। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে সালাতের ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণে যাওয়ার আগে, নামাজের আগে কেন অজু করার বিধান দেয়া হলো সে ব্যাপারে আলোচনা করা প্রয়োজন। বহু মাওলানাকে আমি প্রশ্ন করেছি, নামাজ আদায়ের আগে অজু কেন করতে হবে? এক বাক্যে সবাই বলেছেন, দেহ ও মনের পবিত্রতা অর্জনের জন্য। কিন্তু ব্যাপারটার সাথে আমি কোনো অবস্থাতেই একমত হতে পারিনি। কারণ, এখানে প্রশ্ন, নামাজ পড়েন কারা? উত্তর মুসলমানেরা। কিন্তু যারা মুসলমান তারা কি অপবিত্র থাকেন? আমি বাহ্যিক পবিত্রতার কথা বলছি। যদি অপবিত্র না থাকেন তবে পবিত্রতার প্রশ্ন আসে কেন? ব্যাপারটা কি শুধুই পবিত্রতা অর্জনের জন্য অজু করা, নাকি অন্য কিছু!! ইসলাম তথা ইসলামের আরকান ও আহকামের ব্যাপারে আমরা গতানুগতিক পন্থা অবলম্বন করে চলেছি; কিন্তু ব্যাপারটা আদৌ ঠিক হচ্ছে কি না, তা ভেবে দেখার প্রয়োজন বোধ করি না।

Sunday, March 29, 2015

ইস্তিখারার বিধি-বিধান

ইস্তেখারা শব্দের অর্থ: ইস্তেখারা শব্দটি আরবী। আভিধানিক অর্থ, কোন কোন বিষয়ে কল্যাণ চাওয়া।

ইসলামী পরিভাষায়: দুরাকাত নামায ও বিশেষ দুয়ার মাধ্যমে আল্লাহর তায়ালার নিকট পছন্দনীয় বিষয়ে মন ধাবিত হওয়ার জন্য আশা করা। অর্থাৎ দুটি বিষয়ের মধ্যে কোনটি অধিক কল্যাণকর হবে এ ব্যাপারে আল্লাহর নিকট দু রাকায়াত সালাত ও ইস্তিখারার দুয়ার মাধ্যমে সাহায্য চাওয়ার নামই ইস্তেখারা। (ইবনে হাজার, ফাতহুল বারী শরহু সহীহিল বুখারী)


ইস্তেখারা করার হুকুম: এটি সুন্নাত। যা সহীহ বুখারীর হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।

Sunday, March 15, 2015

নামাজ সম্বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়গুলি আপনি জানতেন না & নামায না পড়ার শাস্তি

নামাজ সম্বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়গুলি আপনি জানতেন না

মুসলিম মাত্রই আমরা জানি যে ইসলাম ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন স্তম্ভ হলো নামাজ পড়া ও কায়েম করা। কিন্তু, দুঃখজনক হলেও সত্য যে, নিজেদের মুসলিম বলে দাবী করলেও এই গুরুত্বপূর্ন স্তম্ভটি সম্বন্ধে আমরা অনেক মুসলিমই আজ উদাসীন। এই উদাসীনতার অন্যতম কারণ হলো নামাজের গুরুত্ব অনুধাবনের ব্যর্থতা এবং নামাজ সম্বন্ধে প্রচলিত অসংখ্য ভুল ধারণা। আমরা যারা নিয়মিত নামাজ পড়ি, তাদের অনেকেই ছোটবেলায় হুজুরের কাছে হয়ত অনেক কিছু ভুল শিখেছিলাম, এখনো সেই ভুল নিয়মেই নামাজ পড়ে যাচ্ছি। অথচ, ইসলামী জ্ঞান অর্জন করা আল্লাহ্‌ আমাদের জন্য ফরজ করেছেন, কাজেই আমাদের সকলেরই উচিত ইসলাম সম্বন্ধে, বিশেষ করে নামাজ সম্বন্ধে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা এবং নামাজ কায়েম করা।

Wednesday, March 11, 2015

জান্নাতে নারীরা কেমন থাকবে?

জান্নাতে নারীদের অবস্থা কী হবে, জান্নাতে তাদের জন্য কী অপেক্ষা করছে- এ ব্যাপারে প্রায়শই আমাকে নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। তাই ভাবলাম সঠিক প্রমাণ ও আলেমদের অভিমতের আলোকে এমন কয়েকটি পয়েন্ট একত্রিত করে দেই যা থেকে তারা এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণায় উপনীত হতে পারবেন। চলুন আল্লাহর ওপর ভরসা করে শুরু করা যাক:

ফায়দা¬ ১

আমাদের উচিত হবে নারীরা জান্নাতে তাদের জন্য অপেক্ষমান নেকী ও নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তাদেরকে হতোদ্যম না করা। কারণ, মানব প্রকৃতি তার আগামী ও ভবিষ্যত নিয়ে ভাবতে পছন্দ করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও সাহাবা রাদিআল্লাহু আনহুমের জান্নাত ও জান্নাতের নেয়ামত সংক্রান্ত এ ধরনের প্রশ্ন শুনে অপছন্দ করেন নি । যেমন তাঁরা জিজ্ঞেস করেছেন। যেমন আবূ হুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

‘ আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল, জান্নাত সম্পর্কে আমাদের ধারণা দিন। কী দিয়ে জান্নাত নির্মিত হয়েছে? তিনি বললেন, ‘ তার দেয়ালের একটি করে ইট সোনা দিয়ে এবং আরেকটি ইট রুপা দিয়ে নির্মিত। তার সিমেন্ট হলো উন্নত মৃগনাভী, তার প্লাস্টার ইয়াকূত ও মোতি এবং তার মাটি ওয়ারছ ( নামের সুগন্ধি) ও জাফরান। যারা এতে প্রবেশ করবে তারা অমর হবে; কখনো মারা যাবে না । সুখী হবে; অসুখী হবে না । তাদের যৌবন শীর্ণ হবে না । আর তাদের কাপড় ছিন্নভিন্ন করা হবে না । ’ [ মুসনাদ আহমদ : ৯৭৪৪; মুসনাদ দারেমী : ২৮৬৩]

I am Satan/Saitan/Devil (শয়তান) ....

I do not need any introduction. I have been introduced to you many times by your Lord. But, you do not take heed because you are selfish and worthless, as I always knew. You and your father were made of clay, but I, I was made of fire! Yet, I was asked to prostrate before you. [1]

Why would I? I refused quite blatantly. Clearly, I am far too superior to Adam. My refusal earned me a promise from your Lord – promise of Hell fire, for eternity…..

A Strange Analogy ....

My heart beats vehemently against my chest, almost ripping my ribs apart. My breathing gets heavier and I look around to see everything happening in a jiffy. Amidst the swarms of people hustling and bustling all at once, I look forward to spot my train which is yet to arrive.


Given my very rare train-traveling experiences, I constantly look at others around me, trying to figure out how they manage to remain calm and peaceful amidst the incessant noise that is deafening to my ears. Everything around me was calm, except my heart. A flight of steps to take me up and down with a bag to carry; and then, comes a series of strange thoughts that keep me occupied for the next hour or so.

Sunday, March 8, 2015

সিজদা সাহু করার সঠিক নিয়মঃ ভুল দিয়ে কি ভুল সংশোধন করা যায়?

একটি কথা, আমাদের দেশে প্রচলিত অনেক কিছু এই যেমন ইমান-আকীদা, নামায, রোযা, হজ্জ যাকাত ইত্যাদির অনেক কিছুর সাথে সুন্নতের বিপরীত কাজ দেখতে পাই। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “প্রচার করো, একটি মাত্র আয়াত হলেও”।

সিজদা সাহু

এক মিনিটে আপনি যে যে আমলগুলো করতে পারেন

মহান আল্লাহ্‌র ইচ্ছায় এক মিনিটে আপনি যে যে আমলগুলো করতে পারেন নিম্নে এর কিছু প্রস্তাবনা পেশ করা হলোঃ

(১) এক মিনিটে আপনি সূরা ফাতিহা মনে মনে দ্রুতগতিতে ৩ বার পড়তে পারেন। কেউ কেউ হিসাব কষে দেখিয়েছেন একবার সূরা ফাতিহা পড়লে ৬০০ টিরও বেশি নেকি পাওয়া যায়। তাই আপনি যদি তিনবার সূরা ফাতিহা পাঠ করেন তবে আল্লাহ্‌র ইচ্ছায় ১৮০০ এর বেশি নেকি হাসিল করবেন। এত নেকী আপনি এক মিনিটেই পাচ্ছেন।

(২) এক মিনিটে আপনি সূরা ইখলাস (ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ) মনে মনে দ্রুতগতিতে ২০ বার পড়তে পারেন। এই সূরা একবার পাঠ করলে কুরআন শরীফের এক তৃতীয়াংশ পড়ার সমান সওয়াব পাওয়া যায়। তাই আপনি যদি এ সূরাটি ২০ বার পাঠ করেন তবে তা ৭ বার কুরআন পড়ার সমতুল্য। অতএব আপনি যদি এ সূরাটি প্রতিদিন এক মিনিটে ২০ বার পাঠ করেন তবে মাসে আপনার ৬০০ বার পাঠ করা হয় এবং বছরে ৭২০০ বার পাঠ করা হয়। যার সওয়াব ২৪০০ বার সম্পূর্ণ কুরআন পড়ার সমতুল্য।

Duel Sim (ডুয়েল সিম ব্যবহারকারী লোকের অভাব হবে না)

ডুয়েল সিম ব্যবহারকারী লোকের অভাব হবে না।

দুই সিমের একটা সস্তায় কথা বলার জন্য, অন্যটা মানুষের কাছে চলে গেছে তাই বাদ দেওয়া যাচ্ছে না, এই জন্য।
আমাদের জীবনটাকেও আমরা দুই সিম দিয়ে চালাই। এক সিম ইসলামের, অন্য সিম নফসের তাড়নার। সব কাজ চালাই সস্তাটার দ্বারা। অর্থাৎ নফসের দ্বারা।

ইসলামের নাম্বারটা মানুষের কাছে পৌছে গেছে ফলে বাদ দেওয়া যাচ্ছে না বিধায় সপ্তাহে একটা কল করি!
আবার ইসলামের নেটওয়ার্ক সিগন্যালটাও যে শক্তিশালী নয়। ওটা দিন দিন আরো দুর্বল হয়ে যাচ্ছে! কথা কি বলে শুনতে পাই না...

রাশিফল

বেশীরভাগ পত্রিকাতে একটা জিনিস থাকেই – রাশিফল। থাকে কারণ এর চাহিদা আছে। পাঠকরা রোজ সকালে নিষ্ঠার সাথে রাশিফল পড়েন, বিশ্বাস করেন এবং সারাদিন সে অনুযায়ী আমল করেন! কোন কোন পত্রিকা দৈনিক এর পাশাপাশি সাপ্তাহিক আর বাৎসরিক রাশিফল ও প্রকাশ করে, অনেক জ্যোতিষী এই করে করে বেশ খ্যাতিও কুড়িয়ে ফেলেছেন।

অনেকে বলেন, ‘এগুলো তো এমনিতেই পড়ি, বিশ্বাস করি না!’ আমাদের ধর্মে শুধু জ্যোতিষীশাস্ত্র বিশ্বাস করাই নয়, জ্যোতিষীর কাছে যাওয়া, রাশিফল পড়া – সব হারাম।

রাসুল (সা) বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি কোনও জ্যোতিষীর কাছে গেলো ও তাকে কিছু জিজ্ঞেস করলো (ভবিষ্যৎ জানতে চাইলো) চল্লিশ দিন ও রাতের জন্য তার সালাত কবুল হবে না।’ [সাহিহ মুসলিম, ভলিউম ৪. পৃষ্ঠা ১২১১. নং ৫৪৪০]

দু:শ্চিন্তা + ৯৮ = ৯৯ টি রোগের সহজ চিকিৎসা

রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন,

"লা হা'উলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ"

অর্থ: আল্লাহর শক্তি বা অনুগ্রহ ছাড়া কারো কোনো সত কাজ করা ও পাপ কাজ থেকে বেচে থাকার ক্ষমতা নাই।

এই দুয়াটি নিরানব্বইটি রোগের মহা ঔষধ, তার মধ্যে সহজতম রোগ হলো দু:শ্চিন্তা।"

বুখারী ও মুসলিম, মিশকাত - ২০১।

**এছাড়া, অন্য হাদীসে রয়েছে...

সফরে থাকা অবস্থায় নামাযের নিয়ম

সফরের সময় ৪ রাকাত ফরয (যোহর+আসর+ইশা) নামায ২ রাকাত পড়তে হয়, কিন্তু ২/৩ রাকাত ফরয নামায ২/৩ রাকাতই পড়তে হয়। একে নামায “কসর” বা সংক্ষিপ্ত করা বলা হয়।

আর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) সফরে থাকা অবস্থায় ৫ ওয়াক্তের সাথে সংশ্লিষ্ট সুন্নত নামাযগুলো পড়তেন না, ফযরের ২ রাকাত সুন্নত আর বিতির নামায ছাড়া। তাই আমাদেরও উচিত হবেনা, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) যা করেন নি সেটা করা।

যখন শুনি মুসলিম ঘরের সন্তান অন্য ধর্মের সংস্কৃতি অনুসরণ করে

আশ্চর্য্য হয়ে যাই যখন শুনি মুসলিম ঘরের সন্তান অন্য ধর্মের সংস্কৃতি অনুসরণ করে ! আসলে আমি জানি এগুলা লিখে কোন লাভ নাই । কারণ আমার কথা তারা শুনবে না, যারা পালন করার ঠিক ই করবে ।



Contact Form

Name

Email *

Message *