Showing posts with label Tips and Technique (টিপস্‌ এণ্ড টেকনিক). Show all posts
Showing posts with label Tips and Technique (টিপস্‌ এণ্ড টেকনিক). Show all posts

Sunday, March 8, 2015

আচার সংরক্ষণ


এই বৃষ্টি এই রোদ। গৃহিণীরা অনেকেই চিন্তিত হয়ে পড়েন, নতুন তৈরি করা আচারগুলোয় ছত্রাক পড়ে এগুলো আবার নষ্ট হবে না তো? এই অবস্থায় কী করা?

আর্দ্র আবহাওয়ায় জীবাণু দ্রুত বংশবিস্তার করে খাদ্যদ্রব্য পচিয়ে ফেলে। বিশেষ করে আচারজাতীয় সংরক্ষিত খাদ্যদ্রব্যগুলো কোনোভাবেই এ সময় ভালো রাখা যায় না রোদের অভাবে। গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শম্পা শারমিন খান এ বিষয়ে বলেন, আচার সংরক্ষণে প্রথমেই যে বিষয়টি লক্ষ রাখতে হবে, তা হলো কনটেইনারটি জীবাণুমুক্ত কি না। এরপর মনে রাখতে হবে, সংরক্ষণ দ্রব্য সঠিক অনুপাতে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না। টকজাতীয় আচারে নির্দিষ্ট অনুপাতে লবণ ব্যবহার করা, মিষ্টিজাতীয় আচারে চিনি ব্যবহার করার বিষয়ে লক্ষ রাখতে হবে। লবণ, চিনি ও তেল-এই তিন দ্রব্য হলো সবচেয়ে ভালো সংরক্ষক দ্রব্য। তা ছাড়া রসুন, আদা, পাঁচফোড়ন এসব তো আছেই।

বাজার করে এনে

প্রতি মাসে হয়তো একসঙ্গে পুরো মাসের বাজার করে থাকেন অনেকে। আবার প্রতি সপ্তাহে বাজার করতে পছন্দ করেন কেউ কেউ। কিন্তু বাজার যখনই করা হোক না কেন, সেটা তো ঠিকমতো ফ্রিজে তুলে রাখতে হবে। বাজার থেকে কাঁচা শাকসবজি, মাছ-মাংস এনে টাটকা রাখার উপায় সম্পর্কে জেনে নিন।
‘বাজার থেকে মাছ-মাংস এনে বেশিক্ষণ বাইরে রাখলে তাতে ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। ফলে দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এ জন্য বাজার থেকে আনার সঙ্গে সঙ্গে রান্না করার অংশটুকু রেখে প্রক্রিয়াজাত করে দ্রুত ঠান্ডা স্থানে রাখতে হবে। যেকোনো শাকসবজি বাজার থেকে এনে প্রক্রিয়াজাত করে রাখলে তাতে পুষ্টিগুণ অটুট থাকবে, আর টাটকাও থাকবে।’ বলছিলেন পুষ্টিবিদ সিদ্দিকা কবীর। তাঁর পরামর্শ—

দুর্গন্ধ হবে না ঘরে

হাজারো ব্যস্ততার ভিড়েও প্রযুক্তির বদৌলতে আমাদের কাজ হয়ে যাচ্ছে সহজতর। খাবার রান্না থেকে পরিবেশন করার জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক জিনিসপত্র; রেফ্রিজারেটর, ওভেন, রাইস কুকার, ব্লেন্ডার ইত্যাদি। যা আমাদের জীবনযাত্রাকে সহজ করে তুলেছে। এসব ব্যবহারে অজ্ঞতার কারণে অনেক সময় খাবার দুর্গন্ধ হয়ে যায় এবং এসব জিনিস থেকে দুর্গন্ধ বের হয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি রান্নাঘর থেকেও মাঝেমধ্যে দুর্গন্ধ বের হয়। রান্নাঘরসহ এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রে দুর্গন্ধ হওয়ার কারণ এবং এ থেকে পরিত্রাণের উপায় সম্পর্কে বলছিলেন গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ফিরোজা সুলতানা।
জেনে নিন

রান্নাঘরে লুকানো জীবাণু

রান্নাঘরকে যতটা পরিষ্কার মনে করা হয়, আসলে তা ততটা পরিষ্কার নয়। এ ঘরে লুকানো থাকে অসংখ্য জীবাণু। এ জীবাণু আমাদের শরীর-স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। রান্নাঘরে ব্যবহূত বিভিন্ন জিনিসপত্রেই এসব জীবাণু লুকিয়ে থাকে। এসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
হাঁড়ি-পাতিল, থালা-বাসন বা পানির গ্লাস মাজার জন্য ব্যবহূত স্পঞ্জ বা মাজনি: রান্নাঘরে ব্যবহূত স্পঞ্জ বা মাজনি অসংখ্য রোগ-জীবাণুর আরামদায়ক আবাস। থালা-বাসন মেজে এগুলোকে কলের পানিতে একটু ধুয়েই ভেজা অবস্থায় রাখা হয়। থাকে ভেজা, স্যাঁতসেঁতে। হাঁড়ি-পাতিল মাজার পর স্পঞ্জ বা মাজনি পানিতে ধুয়ে পরিষ্কার করলেও এর ভেতরে থেকে যায় বেশ কিছু খাদ্যকণা ও ময়লা। ভেজা, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে এসব খাবার ও ময়লা খেয়ে রোগ-জীবাণু বংশ বৃদ্ধি করে খুবই দ্রুত।

ফরমালিন থেকে বাঁচার উপায়

ফর্মালিন (-CHO-)n হল ফর্মালডিহাইডের (CH2O) পলিমার। ফর্মালডিহাইড দেখতে সাদা পাউডারের মত। পানিতে সহজেই দ্রবনীয়। শতকরা ৩০-৪০ ভাগ ফর্মালিনের জলীয় দ্রবনকে ফর্মালিন হিসাবে ধরা হয়। ফর্মালিন সাধারনত টেক্সটাইল, প্লাষ্টিক, পেপার, রং, কনস্ট্রাকশন ও মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ফরমালিনে ফরমালডিহাইড ছাড়াও মিথানল থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লিভার বা যকৃতে মিথানল এনজাইমের উপস্থিতিতে প্রথমে ফরমালডিহাইড এবং পরে ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়। দুটোই শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

Contact Form

Name

Email *

Message *