Showing posts with label Life Style. Show all posts
Showing posts with label Life Style. Show all posts

Thursday, June 23, 2016

ঝামেলা ছাড়াই ট্রেনের টিকিট

মুঠোফোনের মাধ্যমে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহের এই পদ্ধতিটি অনেকের কাছেই অজানা। তবে প্রক্রিয়াটি বেশ সোজা।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, দেশের শীর্ষ দুটি মুঠোফোন অপারেটর গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক এই সেবা দিচ্ছে। সেবা পাওয়ার জন্য এই দুটি প্রতিষ্ঠানের যেকোনোটির একটি নম্বর থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। রেজিস্ট্রেশনের জন্য ইংরেজি বর্ণে ‘TKET’ লিখে ‘1200’ নম্বরে এসএমএস করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন শেষ হলে গ্রাহক চার সংখ্যার একটি পিন নম্বর পাবে। পরে যেকোনো সময় টিকিট কিনতে ওই পিন নম্বর ব্যবহার করতে হবে।

রেলওয়ের ওয়েবসাইটে মুঠোফোনে টিকিট কেনার পুরো প্রক্রিয়ার বর্ণনা রয়েছে। সেখানকার তথ্য অনুযায়ী, টিকিট কেনার আগে গ্রাহককে তাঁর মুঠোফোনে প্রয়োজনমতো টাকা রিচার্জ করে নিতে হবে। অর্থাৎ, টিকিট কেনার মতো পর্যাপ্ত টাকা মুঠোফোনে থাকতে হবে। এরপর ১২টি সহজ ধাপে টিকিট কেনার প্রক্রিয়া শেষ করতে হয়।

প্রথমে ‘*131#’ লিখে ডায়াল করতে হবে। এরপর ধারাবাহিকভাবে অপশনগুলো আসবে। সেগুলো একটার পর একটা বেছে নিতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপে অপশনে ‘বুক ট্রেন টিকিট’, ‘পারচেজ ট্রেন টিকিট আফটার বুকিং’ ও ‘পারচেজ ট্রেন টিকিট’–এর যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে।

তৃতীয় ধাপে গ্রাহকের পিন নম্বর লিখতে হবে।

পরের ধাপগুলোতে যথাক্রমে যাত্রার তারিখ, যাত্রা শুরুর নির্ধারিত স্টেশন, গন্তব্য স্টেশন, ট্রেনের নাম, টিকিটের আসনের শ্রেণি, যাত্রীসংখ্যা ও তাঁদের বয়স বেছে নিতে হবে।

সবশেষে আসবে নির্ধারিত টিকিটের দাম। সেটি বেছে নেওয়ার পর মুঠোফোন থেকে সমপরিমাণ টাকা কেটে নেবে অপারেটর। এরপর একটি এসএমএস আসবে, যাতে থাকবে একটি কোড নম্বর। এসএমএসসহ ওই কোড নম্বরটি রেলস্টেশনের নির্ধারিত কাউন্টারে অথবা সংশ্লিষ্ট মুঠোফোন অপারেটরের নির্ধারিত কাউন্টারে দেখিয়ে টিকিট সংগ্রহ করা যায়।

কমলাপুর রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক সিতাংশু চক্রবর্তী বলেন, রেলের মোট টিকিটের ২৫ ভাগ অনলাইন ও মুঠোফোনের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। ঈদের সময়ও এভাবে টিকিট বিক্রি হয়। একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারেন।




Monday, March 21, 2016

সময়

অফিসে আমার আর সাইফ ভাই এর টেবিল ঠিক মুখোমুখি । দুই জন কে সারাক্ষন পিসি তে কাজ করতে হয়, সভাবতই মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয় । আমাদের আই কন্টাক্ট টা এই জন্য একটু বেশি হয়। আমাদের বস প্রায় বলে এই দুইটা সারাক্ষন দুই জনের দিকে তাকায় থাকে J  এদের একটা মেয়ে হইলে এত দিনে নির্ঘাত বিয়ে করে ফেলতো। যাই হোক আমাদের কাজের জন্য দুই জন কে অনেক বার কনফারেন্স রুমে মিটিং করতে হয় , মিটিং আর কি করি কাজ করতে ইচ্ছে না করলে অনেক গুলো ফাইল নিয়ে বসে আড্ডা দেই। আজ সাইফ ভাই ইশারা দিয়ে কনফারেন্স রুমে যেতে বল্লো ।দুই জন গিয়ে বসে শুরু করলাম আড্ডা। কেউ আসলে ফাইল ঘাটাঘাটি করা শুরু করি।

বাতাসে একটা খবর ভেসে আসলো , একজন কলিগের বউ ভেগে গেছে. তারা পালিয়ে বিয়ে করেছিল এখন বউ তার কাছ থেকে পালিয়েছে , এইটা কিছু হইলো
আমি বুঝলাম না এত প্রেম তাদের ভিতর, বাবা মা সব কিছু ছেড়ে যার হাত ধরে বেড়িয়ে পরেছিল তাকে ছেড়ে যেতে একটুও বুক কেপে উঠলো না
নমি তুমি ওরে চিনো না , ব্যাটা ব্যক্কল। আরে তুই পালিয়ে বিয়ে করছিস ভালো কথা, শ্বশুর বাড়িতে প্রথমবার লাত্থি খাবি , ক্ষেত্র বিশেষে বন্দুকের দৌড়ানিও খাবি, পরেরবার খাবি ধমক তারপর ধিরে ধিরে মেনে নিবে , সে বিয়ে করেছে দুই বছরের মতো এখনো শ্বশুর বাড়িতে যোগাযোগ করে নাই। বউ আর কত দিন তোর এই রকম আচরন মেনে নিবো ?
থাক কারো পার্সোনাল ব্যাপার নিয়ে কথা বলতে ভালো লাগে না
আরে এই খানে কেউ নাই এই জন্যই তো বলছি
বাদ দেন ।

Wednesday, March 16, 2016

বাবা

আমাদের শর্মির বাবা চিটাগাং স্টিল মিলের সাবেক অতিরিক্ত প্রধান হিসাব কর্মকর্তা আজিজুল হক চাচা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। ইন্নালিল্লাহে......রাজিউন। 

দুপুর থেকেই খবর টা পাওয়ার পর থেকে শর্মি কে খুব মনে পরছে। কিভাবে নিজেকে সামলাচ্ছে? এই রকম মুহুর্তে কি হয় আমি অনুভব করতে পারি।আমিও যে শর্মির মতোই বাবা হারা্নোর যন্ত্রনা নিয়ে বেচে আছি।আমি এখনো নিজেকে ভুলিয়ে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। ভালো থাকার জন্য সব ইমোশন আমি ফেলে দিয়েছি। সব ভুলেও কি ভুলতে পেরেছি ? কি জানি হয়তো শর্মি নিজেকে বুঝাবে,নিজেকে স্বাভাবিক রাখবে ,আমি প্রার্থনা করি শর্মির জন্য ,তার পুরা ফ্যামেলির জন্য চাচার জন্য। আল্লাহ ওদের সবাই কে স্বাভাবিক জীবনে ফিরার তৌফিক দিক। 

শর্মির মতোই আমার জীবনের ভয়ঙ্কর কঠিন দিন ছিল ৩ মে ,২০০৯ । সেই দিন ঘুম ভাংলো একদম সকাল ছয়টায়,একটা ফোন আসলো, শাহ আলমের কল দেখে লাফ দিয়ে উঠি। ও ভাইয়ার ফ্রেন্ড ।শাহ আলম কি বলে যাচ্ছে মাথায় ঢুকছে না। আমার মাথায় তখন বেলভিউ হসপিটালের বেডে থাকা আমার বাবার কথা ঘুরপাক খাচ্ছে ।

লুঙ্গি মামা

ঘটনা শুনেছি আমার এক স্যারের কাছে। স্ট্যাডি ট্যুরে টিচাররা স্টুডেন্টদের অনেক কাছে চলে আসে ,আমরা কক্সবাজার থেকে টেকনাফ হয়ে সেন্টমার্টিনে যাবার পথেই আমরা আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া গল্প গুলো সবার সাথে শেয়ার করছিলাম ,রবিউল হায়দার স্যার আমাকে পুরা ট্যুর নিয়ে অনেক যন্ত্রণা দিয়েছিল স্যার কে একটু বেকায়দায় ফেলার খুব ইচ্ছে ছিল তাই স্যার কে এক রকম জোর করে আমাদের আসরে ধরে নিয়ে আসি , স্যার কে বলতে বাধ্য করার আগেই শুরু করে দেয় একের পর এক গল্প ,কখনো কখনো স্যার এর গল্প শুনে মেয়েদের পর্যন্ত কানে হাত দিতে হয়েছে।

রবিউল হায়দার স্যারের মামার বাড়ি চাঁদপুর। মামা কোন কাজের কাজি ছিল না ,সারা দিন পুকুত পাড়ে টোটো করেই ঘুরে বেড়ানো ছাড়া আর কোন কাজ করতোনা, এই জন্য নানার কাছে প্রতিদিন ধমক শুনতে হতো। গ্রামের বাড়িতে মামা খুব ভালো সাঁতার কাটতে পারতো, এক ডুব দিয়ে পুকুরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত গিয়ে পুরো গ্রামে হইচই ফেলে দিয়েছিল।মামা এর সাথে আরো কিছু যোগ করেছিল,পুকুরের কোল ঘেসে একটা বিশাল আম গাছ ছিল ঐটার উপরে উঠে ডিগবাজি দিতে দিতে পুকুরে ঝাপ দেয়ার কৌশল খুব দ্রুত রপ্ত করে ফেলেছে। মামার এই কৌশল দেখার জন্য অনেক দূর দুরান্ত থেকে লোক জন আসতে শুরু করেছে গ্রামে। দিন দিন মামা জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে।

Thursday, February 18, 2016

আমি একজন মা। এই পৃথিবীর অতিসাধারণ এক মা।

অসাধারন একটি লেখা। আশাকরি ভালো লাগবে
এক ভদ্র মহিলা পাসপোর্ট অফিসে এসেছেন পাসপোর্ট করাতে।
অফিসার জানতে চাইলেন- আপনার পেশা কি?
মহিলা বললেন, আমি একজন মা।
আসলে ,শুধু মা তো কোনো পেশা হতে পারেনা।
যাক, আমি লিখে দিচ্ছি আপনি একজন গৃহিনী।
মহিলা খুব খুশী হলেন। পাসপোর্টের কাজ কোনো ঝামেলা ছাড়াই শেষ হলো। মহিলা সন্তানের চিকিৎসা নিতে বিদেশ গেলেন। সন্তান সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে আসলো।

অনেকদিন পরে, মহিলা দেখলেন পাসপোর্টটা নবায়ন করা দরকার। যেকোনো সময় কাজে লাগতে পারে। আবার পাসপোর্ট অফিসে আসলেন। দেখেন আগের সেই অফিসার নেই। খুব ভারিক্কি, দাম্ভিক, রুক্ষ মেজাজের এক লোক বসে আছেন।
যথারীতি ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে অফিসার জানতে চাইলেন-
আপনার পেশা কি?
মহিলা কিছু একটা বলতে গিয়েও একবার থেমে গিয়ে বললেন-
আমি একজন গবেষক। নানারকম চ্যালেঞ্জিং প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করি। শিশুর মানসিক এবং শারিরীক বিকাশ সাধন পর্যবেক্ষণ করে,সে অনুযায়ী পরিকল্পণা প্রণয়ন করি। বয়স্কদের নিবিড় পরিচর্যার দিকে খেয়াল রাখি। সুস্থ পরিবার ও সমাজ বিনির্মাণে নিরলস শ্রম দিয়ে রাষ্ট্রের কাঠামোগত ভিত মজবুত করি। প্রতিটি মূহুর্তেই আমাকে নানারকমের চ্যালেঞ্জের ভিতর দিয়ে যেতে হয় এবং অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তা মোকাবিলা করতে হয়। কারণ,আমার সামান্য ভুলের জন্য যে বিশাল ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

Monday, February 15, 2016

দেখি এই হাঁটার শেষ কোথায় হয়

বাসের ভেতর চুপচাপ দাড়িয়ে আছি। চুপচাপ দাড়িয়ে থাকার কারন আছে,সবকিছুরই একটা কারন থাকে! পিচ্চি হেলপারটা ভাড়া চাচ্ছিল পেসেঞ্জারদের কাছ থেকে। ওকে দেখেই ভীড়ের মধ্যে স্ট্যাচু হয়ে আছি। আমার সামনের জনের কাছ থেকে ভাড়া নিয়েই আমার কাছে আসল পিচ্চিটা। কিছুটা খোচা দিয়েই আমাকে বলল -ভাই ভাড়াটা দেন -কি? -শোনেন নাই? ভাড়াটা দেন -আমার কাছে তো টাকা নাই! -ফাইজলামি করেন? -আরে! ফাইজলামি করলাম কখন! -বাসে উঠছেন ভাড়া দিতে হইব জানেন না? এতটুকু পিচ্চি কথায় ভালই এক্সপার্ট হয়েছে! অবশ্য এক্সপার্ট হওয়ারই কথা হেলপারি করতে করতে ট্রেনিং হয়ে গেছে তার! -ভাড়া দিতে হবে তা তো জানি কিন্তু টাকা থাকবে না সেটা তো জানতাম না। -মশকরা করেন? ঘটনায় আপেক্ষিকতায় আশেপাশের পেসেঞ্জার গুলো মনযোগ দিয়ে দেখছে! একজন পেসেঞ্জার ভীড় ঠেলে এগিয়ে এসে হেলপার পিচ্চিকে বলল -কি হইছে? এতো চিল্লাচিল্লি করস কেন? -ভাই দেহেন তো এই লোকের কাছে ভাড়া চাইতাছি কিন্তু উনি ভাড়া দেয় না কয় তার কাছে নাকি টাকা নাই! শুনছেন কথাডা? তাইলে সে ভাড়া ছাড়া বাসে উঠল কেন? 

Tuesday, February 9, 2016

আপনি একবারও কি ভেবে দেখেছেন, আপনার শক্তির জায়গাটা কোথায়?

আপনার বন্ধুটি হয়তো খুব ভালো একটা চাকরি করে। মাস শেষে মোটা অঙ্কের বেতন পায়। আর আপনি কোনরকম একটা খেয়ে পরে বাঁচার মতো চাকরি করেন। হতে পারে, আপনার কোন বন্ধু হয়তো মডেলদের মতো দেখতে। সেইরকম হ্যান্ডসাম। অথবা আপনার ঘনিষ্ট কোন বান্ধবী দেখতে অপরূপা সুন্দরী। আপনি তাদের মতো সুন্দর নন। এরকম হাজারো অভিযোগ, হীনম্যনতা আছে অসংখ্য মানুষের। হীনম্যনতা আসা একদম অস্বাভাবিকও নয়। কে ই বা চায়, কারো চেয়ে পিছিয়ে থাকতে? কেউ চায় না। সবাই ভালো থাকতে চায়, সুন্দর থাকতে চায়, সুখী হতে চায়। কিন্তু আপনি একবারও কি ভেবে দেখেছেন, আপনার শক্তির জায়গাটা কোথায়? আপনার সবই কি দুর্বলতা? আপনি সারাক্ষণই ব্যস্ত থাকেন নিজের নানান দুর্বলতা নিয়ে। কিন্তু একবারও ভাবেন না, আপনার মধ্যেও হয়তো এমন কিছু আছে, যা আর কারো মাঝে নেই। আপনি অনন্য, অসাধারণ। সুন্দরভাবে বাঁচতে গেলে, সুখী হতে গেলে এসব চিন্তাভাবনা আপনাকে বাদ দিতে হবে। কিন্তু কেন?

Wednesday, February 3, 2016

মা

লেখকঃ পাভেল 

হঠাৎ করে নই, অনেক সময় ভেবেছি। কিন্তু এখনকার ভাবনার গভীরতা অনেকটাই বেশি। তখন আমি 3rd year এ পড়ি, একে একে ৩ ভাই-বোনের খুব জ্বর । কোনো ভাবেই ভালো হয় না। বেশ কিছু Test এর পরে জানা গেল প্যারা-টাইফয়েড ৩ জনেরই। ৩ জনরই সুস্থ হতে আড়াই মাস সময় লাগলো। এই আড়াই মাস তারা কঠিন কষ্ট পাইলো আর রাত-দিন এক করে আম্মা করলেন অকল্পনীয় কষ্ট । যেখানে প্রায়ই রাতেই আম্মা ঘুমাতেন ১-২ ঘন্টা। মাঝ রাতে উঠে কাউকে না কাউকে মাথায় পানি ঢালছেন আর দিনের বেলাতো ছিলই, সাথে তাদের জন্য টাটকা স্যুপ রান্নাসহ রোগির পথ্যের জন্য রান্না, অন্যদের জন্য তো আলাদা কিছু করতই ।

এর সাথে বাকি কাজ। হঠাৎ করে আব্বার পায়ের অপারেশন করতে হলো জরুরি কারণে। আবার আব্বার আলাদা খেয়াল। আমি ব্যবসায় যেতাম, মাঝে পড়তে যেতাম আর ডাক্তার, ঔষধ, বাজার এর ফাঁকে আম্মাকে কিছুটা সাহায্য করার চেষ্টা। আর আরো যখন ছোট- ৩ ভাই-বোনকে সকাল সকাল উঠে রেডি করে স্কুলে পাঠানো, ফিরে আসার আগে খাবার রেডি রাখা, আব্বার প্রতি দায়িত্ব, ঘরের অন্যান্য কাজ। আর যদি কাজের বুয়া না থাকতো তাহলে তো সব কাজ আম্মাকে একাই করতে হতো। কি পরিমাণ কষ্ট করতে হতো আম্মাকে, কিভাবে সবারটা ঠিক রাখতো। বাকি এই দীর্ঘ সময়ে আমিও ভালোই অসুস্থ হলাম ,জন্ডিস,ম্যালেরিয়া জ্বর আর ছোট বেলার কথাতো নাই বললাম।

Thursday, December 31, 2015

বড় হতে হলে বড় মানুষের সাথে মিশতে হয়, চলতে হয়, ওদের কথা শুনতে হয় ......

(Source: Shushanto Paul)

২৭ বছর বয়সে যখন হন্যে হয়ে ব্যাংকে চাকরি খুঁজছেন, তখন আপনারই বয়েসি কেউ একজন সেই ব্যাংকেরই ম্যানেজার হয়ে বসে আছেন। আপনার ক্যারিয়ার যখন শুরুই হয়নি, তখন কেউ কেউ নিজের টাকায় কেনা দামি গাড়ি হাঁকিয়ে আপনার সামনে দিয়েই চলে যাচ্ছে। কর্পোরেটে যে সবসময় চেহারা দেখে প্রমোশন দেয়, তা নয়। দিন বদলাচ্ছে, কনসেপ্টগুলো বদলে যাচ্ছে। শুধু বেতন পাওয়ার জন্য কাজ করে গেলে শুধু বেতনই পাবেন। কথা হল, কেন এমন হয়? সবচাইতে ভালটি সবচাইতে ভালভাবে করে কীভাবে? কিছু ব্যাপার এক্ষেত্রে কাজ করে। দুএকটি বলছি।

Monday, October 12, 2015

কর্পোরেট প্রেম

প্রেমগুলি আজকাল সস্তা আর চকচকে ঠুসঠাস প্রেম হয় ফেসবুকে পিক বা লেখা দেখে ভাল লাগল ব্যাস প্রপোজ। "বাহ তোমার পিকতো অসাম! আমার gf হবা?" অকে ল্যাভ য়্যু (Love you)!

প্রেম মানে আজকাল আর দায়িত্ব নেয়া না প্রেম আজকাল বিএফ/ জিএফ কে বন্ধুমহলে শোঅফ করানো 

"দোস্ত তোর এই গার্লফ্রেন্ডটা কিন্তু অসাম হইছে! ভাল একটারেই পটাইছিস রে মামা!" আজকালকের প্রেম আটকে গেছে মেয়ের সুন্দর চেহারা আর ছেলের উজ্জল ক্যারিয়ারে। "ছাড়লি ক্যান? ছেলেটাতো ভালোই ছিল" "ধুর কি কস? ছেলের ক্যারিয়ার বলতে কিছু ছিল নাকি? পড়ত তো জাতীয়তে!"

নাহ আজকাল কেউ আর ভালোবাসার মানুষটার জন্য অপেক্ষা করে থাকেনা সময় কম, কাজ বেশি "অপেক্ষা" শব্দটার সাপ্লাই ভালবাসার বাজার থেকে কমে যাচ্ছে

Thursday, October 8, 2015

সোনালী ব্যাংক বিড়ম্বনা

সোনালী ব্যাংক বিড়ম্বনা :

অনেকদিন যাবত আব্বু আম্মু আমার পিছনে লাগছে একটা ডিপিএস (DPS) করার জন্য। কিন্তু আমি রাজি না। এরপর আবার শুরু করছে সঞ্চয়পত্র কিনার জন্য। অবশেষে রাজি হলাম কারণ ব্যাংক এ কিছু অলস টাকা জমা আছে। আব্বু সোনালী ব্যাংক থেকে ফর্ম নিয়ে আসলো এবং আমাকে জোড় করে ফর্ম পূরণ করতে বাধ্য করল।

আব্বু বলল সব কাজ আব্বু করে দিবে, আমাকে শুধুমাত্র আব্বুর সাথে একদিন ব্যাংক এ যেতে হবে। মাত্র আধা ঘণ্টা লাগবে। আমি রাজি হলাম। অফিস থেকে একদিন ছুটি নিলাম কারণ সোনালী ব্যাংক বলে কথা।

ব্যাংক খুলবে সকাল ১০ টায় কিন্তু আব্বু সকাল ৯ টা থেকেই রেডি হয়ে বসে আছে আমার সাথে ব্যাংক এ যাবে বলে, আর আমি তখনও ঘুম। আমার বাসা থেকে ব্যাংক এ যেতে সময় লাগে মাত্র ১৫-২০ মিনিট। আব্বু খুব বিরক্ত হয়ে ৯.২০ এর দিকে আমাকে ঘুম থেকে জাগালো। সব কাজ শেষ করে বাসা থেকে বের হলাম সকাল ১০ টায়। ব্যাংক এ পৌঁছাইলাম ১০.১৫ তে। লোক সমাগম অনেক কম। আব্বু বলল কাজ শেষ করতে আধা ঘণ্টাও লাগবে না।

প্রথমেই গেলাম হেল্প ডেস্ক এ। সঞ্চয়পত্র কিনব বল্লাম, উনি বল্ল সোজা দুইতালায় গিয়ে ফর্ম নিয়ে আসতে, গেলাম ২ তালায়, Madam (Assistant Director) থেকে ফর্ম নিলাম, এরপর বলল ফর্ম ফিলআপ করে Counter গিয়ে টাকা জমা দিতে। ফর্ম ফিলআপ করে লাইন এ দাঁড়ালাম। Counter এ চেক (Self Cheque) জমা দিলাম। উনি জানালেন আমার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে গেছে, আমি টাকা উঠাতে পারব না। আমাকে আবার পুনরায় অ্যাকাউন্ট রিওপেন করতে হবে। আমি বল্লাম এখন আমাকে কি করতে হবে? উনি বললেন অ্যাপ্লিকেশান করতে হবে। বিড়ম্বনা পর্ব শুরু হল।

Thursday, August 20, 2015

বাংলাদেশে বিবাহবিচ্ছেদ কেন বাড়ছে?

বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে বিবাহবিচ্ছেদের হার বাড়ছে৷ আর এই বিবাহবিচ্ছেদে নারীরাই এখন এগিয়ে আছেন৷ বিচ্ছেদ কেন বাড়ছে? আর কেনইবা নারীরা এগিয়ে আছেন তা নিয়ে নানা কথা রয়েছে৷ প্রশ্ন উঠছে এটা সচেতনতার ফল না কথিত আধুনিকতার প্রভাব৷

ঢাকায় সদ্য বিচ্ছেদ হওয়া এক নারীর সঙ্গে কথা বলছিলাম গত সপ্তাহেই৷ আগে থেকে জানাশোনার কারণে তিনি অনেকটা খোলামেলা কথাই বলেন৷ তাঁর সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারলাম বিচ্ছেদটা তিনি নিজেও চাননি৷ কারণ পূর্বরাগের কারণেই এক মেধাবী তরুণকে তিনি বিয়ে করেন৷ তাঁর মতে, বিয়ের আগের সেই পুরুষটি বিয়ের পরে অন্যরকম হয়ে যান৷ সারাক্ষণ সন্দেহ, আগের বন্ধুদের সহ্য না করা এসব নিয়ে সমস্যাতো আছেই এমনকি গায়ে হাত তুলতেও নাকি পিছপা হন না৷ তাই বিয়েটি এক বছরের বেশি টেকানো যায়নি৷


আমার পরিচিত নারীর সাফ কথা ‘‘সংসার নামের টর্চার সেলে থাকার চেয়ে বিচ্ছেদ অনেক ভাল৷'' তিনি বলেন, ‘‘সন্তান আসার আগেই বিচ্ছেদ হওয়ায় ভালো হয়েছে৷ সন্তান থাকলে তাদের উপর বিচ্ছেদের নেতিবাচক প্রভাব পড়তো৷ এখন যা হবার তা আমার নিজের হলো৷''

Thursday, August 13, 2015

এইমাত্র আমি মারা গেলাম .........

মৃত আমি!

এইমাত্র আমি মারা গেলাম।

আমার যে মৃত্যু হয়েছে তা এখনও কেউ জানে না... ও এখন ওর স্টাডি রুমে। আমি একা একা শুয়েছিলাম। হঠাত মনে হল আমার দম নিতে অসহ্য রকমের কষ্ট হচ্ছে। কোন কারণ ছাড়াই পুরো পৃথিবীটা কেমন অন্ধকার হয়ে গেল...

ড্রেসিংটেবিলের আয়নাতে লাইটের রিফ্লেকশন পড়ত, আমার দেখতে বড় ভালো লাগত। প্রায়ই বিছানায় শুয়ে শুয়ে আয়নার দিকে তাকিয়ে থাকতাম। কিন্তু আমি এখন কিছু দেখতে পাচ্ছি না... কেমন যেন অদ্ভুত কষ্টবোধে বুকটা হাহাকার করে উঠছে। আহা আম্মু আব্বুর কথা খুব মনে পড়ছে... এই ঈদে তাদের কাছে যাওয়ার কথা ছিল। কতদিন দেখি না... ভাই-বোন, কাজিন বন্ধুবান্ধব সবার চেহারা একে একে ভেসে উঠছে চোখে... পার্থিব আলো নেই কিন্তু অপার্থিব আলোতে সবাইকে এক এক করে দেখে নিচ্ছি... এমন অনেক বন্ধু যাদের কখনো দেখিনি, তাদেরকেও দেখতে পাচ্ছি! যেন কেউ আমার চোখের সামনে সব স্ক্রলিং করছে!

Monday, August 3, 2015

সংসার ( Husband Vs Wife) .....

সাইকোলজির টিচার ক্লাশে ঢুকেই বল্লেন
- আজ পড়াবো না। সবাই খুশি। টিচার ক্লাশের মাঝে গিয়ে একটা বেঞ্চে বসলেন।
বাইরে বৃষ্টি, বেশ গল্পগুজব করার মত একটা পরিবেশ। ষ্টুডেন্ডদের মনেও পড়াশুনার কোন প্রেশার নাই। টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটাকে বল্লেন-
- জননী তোমার কি বিয়ে হইছে? মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে বল্লো
- জ্বী স্যার। আমার একটা দুই বছরের ছেলে আছে

টিচার চট করে দাড়াইলেন। খুব হাসি হাসি মুখ নিয়ে বল্লেন
- আমরা আজ আমাদেরই একজনের প্রিয় মানুষদের নাম জানবো। এই কথা বলেই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বল্লেন
- মা আজকে তুমিই টিচার। এই নাও চক, ডাষ্টার। যাও তোমার প্রিয় দশ জন মানুষের নাম লেখো।

Tuesday, July 7, 2015

যেখানে সেখানে যত্রতত্র প্রেমে হাবুডুবু খাবেন না (একটি সচেতন মূলক পোস্ট .........)

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা যাচ্ছিলাম। আমার পাশের সিটটি খালি। 
একটি মেয়ে এসে---
-ভাইয়া আমি কি আপনার পাশের সিটে জানালার কাছে বসতে পারি?
-হ্যাঁ বসুন।

বাস ছাড়ার কিছুক্ষন পর মেয়েটির দুষ্ট দুষ্ট আচড়ন শুরু হলো। চুল বাধা, লিপস্টিক দেয়ার নাম করে বারবার আমার সাথে ধাক্কা লাগার চেষ্টা। একটু পর ঘুমের ভাব করে আমার কাধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ল। জানালা দিয়ে আসা বাতাসের তোড়ে মেয়েটির চুল এসে আমার মুখে বার বার দোল খাচ্ছিল। রোমান্টিক এক মুহুর্ত। আমি এদিক ওদিক তাকাই। লুকিয়ে কয়েকটা ছবি তুলি।

- ম্যাডাম কোথায় যাবেন? মেয়েটি আৎকে উঠে। ওড়না ঠিক করতে করতে বলে ঢাকা যাব। ভাইয়া আপনার বাড়ি কোথায়? কি করেন? আপনি অনেক স্মার্ট ইত্যাদি ইত্যাদি।

Saturday, July 4, 2015

চীনের প্লাস্টিক চালে সয়লাব এশিয়ার বাজার

নকল পণ্য বানানোতে ওস্তাদ চীন এবার চীনের প্লাস্টিক চালে সয়লাব এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তবে প্রধান টার্গেট ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার ভিয়েতনামসহ চাল আমদানিকারক দেশগুলো আর বিকোচ্ছে মিনিকেট, পাইজাম কিংবা বাঁশকাঠির মত চেনা-পরিচিত নামেই বাজার থেকে কিনে আনা সে চাল হাঁড়িতে ফুটে ভাতও হবে কিন্তু জানতেও পারবেন না, আপনি যে চালের ভাত খেলেন সেটা কৃত্রিম চাল, আসলে প্লাস্টিক ছাড়া কিছু নয়

চীন এভাবেই নকল প্লাস্টিকের চালে এশিয়ার বাজার ধরে নিচ্ছে এমনকি যারা চালের কারবারি, দিনরাত চাল নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেন, তারাও ধরতে পারছেন না চীনের এই চালাকি আর পাঁচটা চাইনিজ জিনিস যেমন সস্তায় মেলে, তেমন সস্তায় চাল কিনে ব্যাপক মুনাফা করতে সেই নকল চালই বিক্রির দিকে ঝুঁকছেন ব্যবসায়ীরা

Wednesday, July 1, 2015

ঢাকাকে যানজট মুক্ত করতে ৩ মিনিট পরপর বাস, ঘণ্টায় চলবে ৩০,০০০ যাত্রী

অধিক যাত্রী দ্রুত পারাপার, সাশ্রয়ী, পরিবেশ বান্ধব ও আরামদায়ক সেবা নিশ্চিত করে রাজধানী ঢাকাকে যানজট মুক্ত করতে সরকারের নতুন প্রকল্প বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি)। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সংরক্ষিত আলাদা লেনের মাধ্যমে প্রতি ঘণ্টায় ৩০ হাজার যাত্রী পারাপার হবে। স্টেশন থেকে প্রতি তিন মিনিট পর পর ছেড়ে যাবে অধিক গতিসম্পন্ন অত্যাধুনিক বাস। রাজধানীর যানজট নিরসন ও গণপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়নে গৃহীত প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক। উন্নত বিশ্বে এ ব্যবস্থাটি পুরোনো হলেও বাংলাদেশে এই প্রথম। 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্মল বায়ু এবং টেকসই পরিবেশ (কেইস) প্রকল্প এবং ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) আওতায় বাস্তবায়িত প্রকল্পটি রাজধানীর উত্তরের গাজীপুর থেকে দক্ষিণের কদমতলী চত্বর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এর দৈর্ঘ্য হবে ৪২ দশমিক ৫ কিলোমিটার এবং যাত্রী সাধারণের উঠা নামার জন্য ৪১টি স্টেশন থাকবে। এসব স্টেশন থেকে প্রতি তিন মিনিট পরপর নির্ধারিত লেনে অধিক যাত্রী বহনে সক্ষম দ্রুত গতির বাস ছেড়ে যাবে। 

Monday, June 29, 2015

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনাঃ Stress Management for Professionals

কর্মজীবনে সফলতা যখন আসে, তখন প্রতি ধাপে পদোন্নতি ও বেতন বৃদ্ধির সাথে সাথে অনেক গুন বেশি বাড়ে দায়িত্ব, যা ব্যক্তিজীবন ও কর্মজীবনে অনেক চাপের সৃষ্টি করতে পারে। চাপ মুক্তির কোন গাণিতিক সূত্র নেই বা মোটা কোন বই পড়েও এই চাপ এড়ানো শেখা সম্ভব না, তবে একটি উপায়ের কথা বলতে পারি, অকপট যোগাযোগ ও শেয়ারিঙের মাধ্যমে কিছু কিছু চাপ থেকে উদ্ধার পাওয়া সম্ভব।



চাপের প্রধান কারণগুলো শনাক্ত করা যাক:

আপনি যদি একজন সফটওয়ার সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী হন, আপনি জেনে থাকবেন কীভাবে ক্রুটি সরিয়ে(debug) কোন সমস্যা সমাধান করা যায়। চাপও তেমনি একধরণের সমস্যা যার ক্রুটি সরিয়ে সমাধান করতে হবে। বের করতে হবে কেন এটি আপনার সামনে এসেছে এবং এর মূল কারণ কী? দৈনন্দিন জীবনে চাপের কারণ হতে পারে এমন কয়েকটি সম্ভবনা নিয়ে আলোচনা করা যাক,

Tuesday, June 23, 2015

রাগ নিয়ন্ত্রণঃ Anger Management

রাগ নিয়ন্ত্রণ বা ব্যবস্থাপনার সারসংক্ষেপ:

রাগ হল , এককথায়, কারো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকির প্রতিক্রিয়া। এটি অস্বস্তির মাধ্যমে শুরু হয়ে বিরক্তির উদ্রেক করে, কখনো কখনো সহিংসতারও জন্ম দিতে পারে। রাগকে অনেক সময় আক্রমণাত্মকতার সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়। বিরুদ্ধাচরণ, আক্রমণাত্মকতা ও মেজাজ খারাপ এই সবগুলোকেই রাগের আওতায় ধরা হয় যদিও এদের মধ্যে কিছু সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে।
  • বিরুদ্ধাচরণঃ রাগান্বিত মানসিক অবস্থায় পরিস্থিতি সম্পর্কে আমাদের ধারণা ও বিচার বিশ্লেষণ বিরুদ্ধাচরণের জন্ম দেয়। বিরুদ্ধাচরণ আবার আক্রমণাত্মকতার জন্ম দেয় ও একে উৎসাহিত করে।
  • আক্রমণাত্মকতাঃ আক্রমণাত্মকতা হল সেই আচরণ যেটি মানুষের বা সম্পদের ক্ষতি সাধনের চেষ্টা করে। আমাদের ভেতরের ফুঁসে উঠা রাগের চূড়ান্ত পর্যায় হল এই আক্রমণাত্মকতা।
  • মেজাজ খারাপঃ মেজাজ খারাপ হল বিরক্তি ও সহিংস আচরণের মধ্যবর্তী একটি অবস্থা। মানসিক অবস্থা এই ক্ষেত্রে থাকলে তা অন্য সব আবেগকে ছাপিয়ে প্রকাশ পায়। মজার ব্যপার হল, মেজাজ খারাপের ইংরেজি প্রতিশব্দে ব্যবহৃত মুড (mood)শব্দটি এসেছে পুরনো ইংরেজি মুড(mod)থেকে, যার মানে ছিল সাহস।

Sunday, June 21, 2015

যেভাবে বুঝবেন আমে ‘বিষ’

ফলে মেশানো স্বাস্থের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর কেমিক্যালকে অনেকে ‘বিষ’-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। গ্রীষ্মকালীন ফল, বিশেষ করে রাসায়নিকমুক্ত আম পেতে ফলের বোঁটা শুষ্ক কি না, তা যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বোঁটা শুষ্ক হলে বুঝতে হবে, এতে রাসায়নিক মিশ্রিত রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বিষাক্ত ফলের কারণে রাজশাহী অঞ্চলে অনেক শিশুর মৃত্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আঞ্চলিক ম্যাংগো রিসার্চ সেন্টারের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, “যখন আপনি আম অথবা এ ধরনের গ্রীষ্মকালীন ফলের বোঁটা শুষ্ক দেখবেন, নিশ্চিত হবেন এতে রাসায়নিক মেশানো হয়েছে। মারাত্মক ক্ষতিকর ক্যালসিয়াম কার্বাইডের পাশাপাশি ইথাফোন গ্রীষ্মকালীন ফলে ব্যবহার করা হয়ে থাকে ফল রাতারাতি পাকানো ও আকর্ষণীয় রঙের জন্য এবং ফরমালিন ব্যবহার করা হয় ফল সংরক্ষণের জন্য।”

Contact Form

Name

Email *

Message *